রক্তে প্লাটিলেট বাড়ানোর উপায় (যা খেলে প্লাটিলেট বাড়ে)
এখন ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার বেশি হচ্ছে। এ রোগে আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগীরই রক্তে প্লাটিলেটের সংখ্যা কমে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডেঙ্গু জ্বর হলে সারা শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে। রক্তে প্লাটিলেট বা অণুচক্রিকার স্বাভাবিক মাত্রা দেড় লাখ থেকে সাড়ে চার লাখ। প্রায় ৯০ শতাংশ রোগীর প্লাটিলেট কমে যায়। যা খেলে হিমোগ্লোবিন বাড়বে (রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়ানোর উপায়)
আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় ও হঠাৎ নিম্নচাপ তৈরি হওয়ায় টানা বৃষ্টিকে সঙ্গ করেই মশার উপদ্রব বাড়তে থাকে। নতুন করে প্রস্তুতি নেয় পতঙ্গবাহিত জ্বর। এই সময়ে তাই সাবধানতা ও সচেতনতাই একমাত্র প্রতিরোধ করতে পারে অসুখের থাবা। আবার অনেক সময় দেখা যায়, সদ্য মশাবাহিত অসুখে ভুগেছেন এমন অনেকের রক্তে প্লেটলেটের মাত্রা কমে শরীর বেশ ক্লান্ত ও অবসন্ন হয়ে পড়ে এমন আবহাওয়ায়। তবে তা রোখার জন্য রোগীর খাবার পাতেই লুকিয়ে থাকে অনেক সমাধান। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অমিত পুরকায়স্থর মতে, ‘‘লোহিত ও শ্বেত রক্তকণিকার চেয়েও আকারে ছোট হয় এই অণুচক্রিকা৷ রক্তের জমাট বাঁধা তো বটেই, রক্তক্ষরণ রোধেও এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে৷ তবে কেবল ডেঙ্গিই নয়, অ্যানিমিয়া, লিউকোমিয়া ও কিছু ভাইরাল ফ্লুয়ের সময়ও এই অণুচক্রিকার পরিমাণ কমতে পারে। ক্যানসার, রক্তে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ বা কোনও ওষুধের প্রতিক্রিয়াও এর জন্য দায়ী হতে পারে।’’ সাধারাণত জ্বর, ক্লান্তি, কেটে-ছড়ে গেলে সহজে রক্ত বন্ধ না হওয়া, মল-মূত্র থেকেও রক্তপাত ইত্যাদি প্লেটলেট কমার অন্যতম লক্ষণ। তবে রক্তপরীক্ষায় এই অুচক্রিকা বা প্লেটলেট কমেছে দেখলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণ নেওয়া উচিত। নিয়ম করে ওষুধ ও যত্নের সঙ্গে ঘরোয়া কিছু খাবারে জোড় দিলেও প্লেটলেট বাড়ে সহজেই। ওয়াই-ফাই স্পিড বাড়ানোর সহজ কিছু উপায়
এ ছাড়া নানা ধরনের ভাইরাস জ্বরেও প্লাটিলেট কমতে পারে। প্রথম থেকে ঠিকমতো চিকিৎসা করালে এবং সঠিক পরিমাপে তরল পদার্থ দিতে পারলে ডেঙ্গু মারাত্মক আকার ধারণ করে না। প্লাটিলেট বাড়াতে পারে—এমন কয়েকটি খাবার সম্পর্কে জেনে নিন:
পেঁপে:
প্লাটিলেট বাড়াতে পেঁপের জুস খেতে পারেন। পেঁপেপাতা অণুচক্রিকা বাড়াতে সাহায্য করে বলে ডেঙ্গুতে উপকারী। পেঁপেপাতা বেটে রস করে পান করতে পারেন। এ ছাড়া পাতা সেদ্ধ করেও খাওয়া যায়।
আমলকি:
যেহেতু ভিটামিন সি প্লেটলেট অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখে, তাই পর্যাপ্ত ভিটামিন সি রয়েছে এমন খাবার প্লেটলেট বাড়ায়। এরা রোগ প্রতিরোধও করে, তাই আমলকি, লেবুর মতো ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার রাখুন পাতে।
ব্রোকলি:
ভিটামিন ‘কে’– এর দারুণ উৎস ব্রোকলি, যা রক্তে প্লাটিলেট বাড়াতে সাহায্য করে। যদি দ্রুত কমতে থাকে, তবে প্রতিদিনকার খাবারে অবশ্যই ব্রোকলি যুক্ত করবেন। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও নানা উপকারী খনিজ রয়েছে।
বেদানা:
বেদানায় দরকারি নানা পুষ্টি ও খনিজ উপাদান রয়েছে, যা শরীরের প্রয়োজনীয় শক্তি জোগাতে পারে। শরীরের ধকল কাটাতে বেদানা দারুণ উপকারী। এ ছাড়া এটি আয়রনের উৎস বলে রক্তের জন্য উপকারী। প্লাটিলেটের সংখ্যা স্বাভাবিক রাখতে এবং ডেঙ্গু সারাতে এটি উপকারী।
বিটের রস:
বিটের রস প্লেটলেটের সংখ্যা বাড়াতে অত্যন্ত কার্যকর৷ রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণও এর হাত ধরে বাড়ে। শীতকাল জুড়ে প্রতি দিন ডায়েটে এক গ্লাস বিটের রস রাখুন। যা খেলে হিমোগ্লোবিন বাড়বে (রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়ানোর উপায়)
পালং:
আয়রন ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের অন্যতম উৎস পালং। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়া শরীরে প্লাটিলেটের সংখ্যা বাড়াতে পারে।
ডাব:
ডাবের পানিতে খনিজ বা ইলেকট্রোলাইটস আছে, যা ডেঙ্গু জ্বরে খুবই দরকারি।
কুমড়ো:
শরীরে প্রোটিনের জোগান বাড়াতে উদ্ভিজ্জ উৎসগুলোর মধ্যে কুমড়োও রয়েছে। এই প্রোটিনই প্লেটলেট তৈরিতে সাহায্য করে। তাই ডেঙ্গি আটকাতে ও প্লেটলেটের পরিমাণ বাড়াতে কুমড়োর বীজ ও কুমড়ো দুই-ই রাখুন ডায়েটে। যেভাবে মোবাইলের স্টোরেজ খালি করবেন
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।


helpfull news..Thank you ..